দাহা

বহিঃপরজীবি হতে সুরক্ষায়

  • ডেল্টামেথ্রিন ২.৮ ইসি

পরিচিতি

বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, হাঁস-মুরগী ও গরু-ছাগলসহ প্রায় সকল গবাদিপশুই নানা ধরনের বহিঃপরজীবি দ্বারা আক্রান্ত হয়। মাছের বিভিন্ন বহিঃপরজীবি, যেমন- হাঁসপোকা, মাখনপোকা, সুজিপোকা, উকুন ইত্যাদি মাছ চাষে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এসকল পরজীবি সাধারণত মাছের শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত শোষণ ও ক্ষত সৃষ্টি করে, ফলে মাছ রক্ত স্বল্পতায় ভোগে এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ঐসব ক্ষতস্থানে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদির সংক্রমণ দেখা যায়। অনেক সময় এরা পুষ্টির জন্য মাছের সাথে প্রতিযোগিতা করে এবং মাছের বৃদ্ধি কমে যায়। আবার কিছু পরজীবি সরাসরি মাছকে আক্রমণ করে, ফলে মাছ মারা যায়।

এসকল সমস্যার সর্বাপেক্ষা কার্যকর সমাধান হল ডেল্টামেথ্রিন ২.৮ ইসি সমৃদ্ধ দাহা। এটি হাঁসপোকা, মাখনপোকা, সুজিপোকা, উকুন ও কৃমিসহ মাছের যাবতীয় বহিঃপরিজীবির প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী ও নির্ভরযোগ্য সমাধান।

  • ফর্মুলেশন : তরল (ইসি)
  • মেয়াদকাল : ২ বছর
  • প্যাক সাইজ : ১০০ মিলি
  • লাইসেন্স নং : ১৭২/১৩

উপাদান

প্রতি ১০০ মিলি দাহা-তে আছে সক্রিয় উপাদান ২.৮ মিলি ডেল্টামেথ্রিন।

প্রয়োগক্ষেত্র

মাছের বহিঃপরজীবি দমনে ব্যবহার করুন।

কার্যকারিতা

দাহা মাছের শরীরকে পরজীবি বাহিত রোগের আক্রমণ হতে সুরক্ষা দেয়।
জলাশয়ে উপস্থিত হাঁসপোকা, মাখনপোকা, সুজিপোকা, উকুন ও কৃমিসহ যাবতীয় বহিঃপরজীবি দমন করে।
মাছের বিভিন্ন ছত্রাকঘটিত রোগ, যেমন- সাদা তুলা রোগ (Saprolegniasis) প্রতিরোধ ও প্রতিকার করে।
জলাশয়ে মাছের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন জুপ্লাঙ্কটন দূর করে।
দাহা পরজীবির জীবনকালের যে কোন পর্যায়ে সমানভাবে কার্যকর।
দাহা প্রয়োগ করলে মাছের শরীরের অতিরিক্ত পিচ্ছিল পদার্থ দূর হয়, ফলে মাছ উজ্জ্বল ও চকচকে হয়।
দাহা দীর্ঘ সময় ধরে জলাশয়কে পরজীবি মুক্ত রাখে।

ব্যবহারবিধি

মাছ চাষে ৩ ফুট পানির গভীরতায় প্রতি ৩৩ শতকে ব্যবহার করুনঃ
প্রতিরোধেঃ ১৭ মিলি দাহা
প্রতিকারেঃ ৩৩ মিলি দাহা

অধিক কার্যকারিতার জন্য প্রথমবার ব্যবহারের ৭-১০ দিন পর পুনরায় ব্যবহার করুন।
প্রয়োজনে মৎস্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

পুকুরে চিংড়ি থাকা অবস্থায় দাহা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

নির্দেশনা

শুষ্ক ও ঠান্ডা জায়গায় সূর্যালোক থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন।

শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
দাহা ব্যবহারের সময় ধূমপান ও পানাহার থেকে বিরত থাকুন। ব্যবহারের পর হাত-পা, চোখ-মুখ ও জামা-কাপড় ভালভাবে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
প্রতিষেধক ঔষধঃ এট্রোপিন সালফেট ইনজেকশন অথবা ডায়াজিপাম ইনজেকশন।

top